সংবাদ শিরোনাম:
তিস্তা ও অন্যান্য নদী ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশ–চীন সহযোগিতা জোরদারে ঐকমত্য চীনে বাংলাদেশের প্রথম বিনিয়োগ কার্যালয় স্থাপনের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর বেইজিংয়ের ঐতিহাসিক গ্রেট হলে প্রধানমন্ত্রীকে উষ্ণ অভ্যর্থনা ডেপুটি স্পীকারের উদ্দ্যেগে : নতুন ঘর পেলেন অসহায় জরিনা খাতুন সুইজারল্যান্ডে আলোচনা স্থগিত : চাপের মুখে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বেতন ২৪ হাজার, কিন্তু সম্পদ গড়েছেন ২০ কোটি টাকার। সড়ক ও জনপথের সার্ভেয়ার আ: আজিজ গ্রেপ্তার বেনজীর, কিন্তু আলোচনায় এখন তার ‘সহযোগী সিন্ডিকেট’ বনভূমি দখলে প্রভাবশালী শিল্পগোষ্ঠী,: আদালতে শতাধিক মামলা, উচ্ছেদে নেই অগ্রগতি যমুনা রেলওয়ে সেতু প্রকল্পে হাজার কোটি টাকার অনিয়মের অভিযোগ, তদন্তে দুদক
বসনিয়ায় কয়েক’শ বাংলাদেশির মানবেতর জীবন

বসনিয়ায় কয়েক’শ বাংলাদেশির মানবেতর জীবন

বসনিয়ার ভেলিকা ক্লাদুসার একটি জঙ্গলে আশ্রয় নিয়েছেন কয়েক’শ বাংলাদেশিসহ বিভিন্ন দেশের শরণার্থীরা৷ সোমবার তাদেরকে খাবার এবং স্লিপিং ব্যাগ সরবরাহ করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও জাতিসংঘের আইওএম ৷  গত কয়েক মাস ধরে, শরণার্থীদের অনেকেই সেখানকার একটি জঙ্গলে মানবেতর পরিস্থিতিতে বসবাস করছেন ৷ কেমন আছেন তারা তা জানতে সেখানে আছেন সাংবাদিক আরাফাতুল ইসলাম ও অনুপম দেব কানুনজ্ঞ৷

রোববার সকালে তারা জঙ্গলে আশ্রয় নেয়া বাংলাদেশিদের সঙ্গে কথা বলেছেন৷ সরাসরি তাদের পরিস্থিতি তুলে ধরেছেন ফেসবুক লাইভে ৷ বাংলার ওয়েবসাইটেও একাধিক প্রতিবেদন প্রকাশ হয়েছে৷ সেখানে অবস্থানরতরা জানিয়েছেন তাদের অবর্ণনীয় কষ্টের কথা৷ কোন আন্তর্জাতিক সংস্থা থেকে রোববার পর্যন্ত তারা কোন সহযোগিতা পাননি বলে জানান৷

তবে সোমবার জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা আইওএম এর একটি দল শরণার্থীদের মানবিক সহায়তা দিয়েছেন৷ দেয়া হয়েছে খাবার ও স্লিপিং ব্যাগ৷ বাংলাদেশিসহ প্রায় ৬০০ জনকে এই সহযোগিতা করা হয়েছে বলে জানা গেছে৷ আব্দুল হান্নান নামে একজন ডয়চে ভেলেকে বলেন, ‘‘এর আগে আমরা কখনও এরকম সহযোগিতা পাইনি৷ এই প্রথম দেয়া হয়েছে৷’’ তবে এই বিষয়ে যোগাযোগ করা হলেও সেখানকার আইওএম এর কর্মীরা ডয়চে ভেলেকে কোন বক্তব্য দিতে রাজি হননি৷

উল্লেখ্য ভেলিকা ক্লাদুসায় আইওএম এর একটি আশ্রয় ক্যাম্প রয়েছে৷ তবে সেখানে ঢুকার অনুমতি পাচ্ছেন না বলে দাবি করেছেন জঙ্গলে এবং পাশের একটি পরিত্যাক্ত কারখানায় আশ্রয় নেয়া বাংলাদেশিরা৷ তারা প্রত্যেকেই মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন দেশ হয়ে এসেছেন বসনিয়াতে৷ উদ্দেশ্য ক্রোয়েশিয়া হয়ে ইটালি, ফ্রান্সসহ ইউরোপের কোন দেশে অভিবাসী হওয়া৷ কিন্তু সীমান্ত পাড়ি দিতে গিয়ে ক্রোয়েশিয়া পুলিশের নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে তারা দাবি করেছেন ডয়চে ভেলের সংবাদকর্মীদের কাছে৷ ইউরোপে আসার জন্য দালালদের কয়েক লাখ টাকা দিয়েছেন বলেও জানিয়েছেন তারা৷

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে শেয়ার করুন

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি

Design & Development BY : ThemeNeed.com